তামাশার শহরে দুইদিন (তৃতীয় পর্ব)

আমাদের ভোজন-পর্ব শেষ। কাল সকালে প্রাতঃরাশ কালে দেখা হবে বলে উঠে দাঁড়ালাম। সন্ধ্যা হয়েছে। ওয়াকিং স্ট্রিট জীবন ফিরে পেয়েছে। এখানে দাঁড়িয়ে থাকা, হেঁটে বেড়ানো মানুষগুলোর জীবনে অন্ধকারাচ্ছন্ন দিক কি নানা রঙের চোখ ধাঁধানো আলোর ঝলকানিতে ম্রিয়মাণ হয়েছে? তা না হলেও সাময়িক অদৃশ্য হয়েছে।

স্যুভেনির শপগুলোতে খুব কম মানুষের ভিড়ই দেখা যায়। বরং জমজমাট হয়ে উঠছে ম্যাসাজ পারলার, রেস্টুরেন্ট, বার, গো গো বার, ডিসকো। প্রায় সব ধরনের বিনোদনকেন্দ্র থেকেই উচ্চশব্দের সংগীত কিংবা শুধু বাজনা বেজে আসছে। রাস্তায় দাঁড়িয়ে খাজনা ছাড়াই সংগীত ও বাজনা শোনা যায়। তবে তা এতই উচ্চকিত যে পাশাপাশি দুজন মানুষও কথা বলা দায়। আমাদের ঢাকাতে যেমন ফুটপাতে আজকাল চেয়ার পেতে চপপটি-ফুচকা খেতে দেয়া হয়। এখানে ফুটপাতে চেয়ারের সামনে টেবিলও রয়েছে। চেয়ারে যারা বসেছেন তারা চটপটি-ফুচকা নিয়ে বসেননি, তাদের হাতে দ্রাক্ষারসমঞ্জরী।

সংক্ষিপ্ত পোশাকধারী মক্ষিরানিরা দিনের আলোতে আসেন না। তারা আলো-আঁধারির জীবন বেছে নিয়েছেন। আলো-আঁধারিতে তারা যে নীরবে দাঁড়িয়ে আছেন তাও না। কেউ ক্ষুদ্র আরশি হাতে নিয়ে রূপসজ্জা আরও শানিয়ে নিচ্ছেন। কেউ বা কিছু-না-কিছু খাচ্ছেন। কেউবা এককভাবে বা দলবদ্ধভাবে উত্তাল বাজনায় উদ্বেলিত হালকা নৃত্য পরিবেশন করছেন রাস্তার ওপরেই।

 

সালাহউদ্দিনের সাথে আগেই কথা ছিল রেডলাইট এলাকাতে আমরা যাব বটে কিন্তু বেশি দূরে এগুবো না। ইন্টারনেটে গতকাল রাতেই গভীর মনোযোগ দিয়ে অধ্যয়ন করেছি।  দুটো বিষয় বিশেষভাবে উল্লেখ করা হয়েছে। প্রথমত, বার থেকে শুরু করে সর্বত্রই লেনদেনের ব্যাপারে সতর্কতা। অর্থাৎ মূল্য যা বলবে সেবাগ্রহণের পরে ব্যাপারি তার চেয়ে বেশি দাবি করতে পারে। কোনো কোনো ক্ষেত্রে মূল্য পরিশোধের পরে যদি ব্যাপারি বলে সেবাগ্রহীতা মূল্য পরিশোধই করেননি, তাও বিচিত্র নয়। এই গ্যাড়াকলে আমাদের পতিত হওয়ার সম্ভাবনা নাই। কেননা এই দুই সরলসিধে বাঙালি এসেছি শুধু দুই নয়নে এ পৃথিবীতে কত কি-ই না হয় তার ক্ষুদ্রাতিক্ষুদ্র একাংশ দর্শন করতে। কেনাকাটা বা কোনোরূপ সেবা গ্রহণের ইচ্ছে আদৌ নেই। দ্বিতীয়ত, যে বিষয়টাতে সতর্ক করা হয়েছে তা আমার জন্য খুবই বিব্রতকর বটে। এটা ওয়াকিং স্ট্রিট নয়- রেডলাইট এরিয়া। মক্ষিরানি এখানে হাত ধরে টানাটানি করতে পারে। এমনতরো পরিস্থিতিতে উষ্মা প্রকাশ করা যাবে না। ইচ্ছে না হলে বদনম-লে ঈষৎ হাসি দিয়ে হাত ছাড়িয়ে নিতে হবে, তবে এক ঝটকায় না- আস্তে-ধীরে। খুবই উদ্বেগজনক। তবুও সালাহউদ্দিনের নয়ন জ্বালায় জল দিয়ে স্তিমিত করতে রেডলাইট এলাকাতে এসেছি। খুব সন্তর্পণে রাস্তার মাঝ বরাবর হাঁটছি। দু’পাশে এমনভাবে তাকাচ্ছি যে রমনা পার্কের বৃক্ষরাজি দেখছি মাত্র।

এই এলাকা আর ওয়াকিং স্ট্রিটের মাঝে অনেক পার্থক্য। এখানে কোনো স্যুভেনির শপ নেই। মূল পাতাইয়া শহর অত্যন্ত পরিষ্কার পরিচ্ছন্ন হলেও এখানে ওসবের বালাই নেই। এখানে মূলত মক্ষিরানিদের আধুনিক অ্যাপার্টমেন্ট, ক্যাসিনো, বার, ডিসকো, রেস্টুরেন্ট গিজগিজ করছে। পথের ওপরে যন্ত্রচালিত সুসজ্জিত ভ্যানগুলোতে নানারকম খাদ্যখানা তৈরি হচ্ছে। রমণীদের শরীরে পোশাক নেই বললেই চলে। রুশ-রমণীরা এখানে কিঞ্চিৎ আক্রমণাত্মক। সুদূর রাশিয়া কিংবা পূর্ব-ইউরোপীয় বিভিন্ন দেশ থেকে এই গ্রীষ্মপ্রধান দেশে এসেছে ওরা। আয়-রোজগার ভালো না হলে দেশে যাওয়ার বিমান ভাড়াও যে উঠবে না। ব্যাংককে আরব পুরুষদের একাকী কিংবা সস্ত্রীক ঘুরতে দেখেছি। এমনকি, স্ত্রীকে সঙ্গে নিয়েই ম্যাসাজ পারলারে ঢুকতে দেখেছি। কিন্তু পাতাইয়ার রেডলাইট এলাকাতে তাদের দেখা পেলাম না। এই এলাকার অতিথি মূলত শ্বেতাঙ্গ ও ভারতীয় নাগরিক।

হাত-বিশেক দূরে রাস্তার মধ্যিখানে রুশ-রমণীদের দলবদ্ধ নাচানাচি দেখে আর এগোতে বল পেলাম না। জিহ্বা শুকিয়ে আসছিল। মিথ্যে বলা মহাপাপ বটে। কিন্তু বিপদমুক্তির লক্ষ্যে তা বললে আল্লাহ নিশ্চয় ক্ষমা করবেন। ডাহা মিথ্যে বললাম, ‘সালাহউদ্দিন ভায়া আমার মাথা ঘুরছে। বোধ হয় ব্লাডপ্রেসার লো হয়ে গেছে। সারাদিন তো কম ধকল যায়নি। আমাকে একটু ধরবে?’

শেষ বাক্যটিতে সালাহউদ্দিন ভয় পেয়েছে। সে জানে আমি লো-ব্লাড প্রেসারের রোগী। সে ক্ষণিকমাত্র দেরী না করে আমাকে ধরে রাস্তার পাশে একটি ভ্যান-রেস্টুরেন্টের চেয়ারে বসিয়ে দিল। মওকা বুঝে আমিও একটা সেভেন-আপ চাইলাম। দু’জন দুই ক্যান সেভেন-আপ খেয়ে চেয়ারে বসাটা জায়েজ করলাম। সালাহউদ্দিন খুব ভালো ছেলে। তার ঘাড়ে হাত দিয়ে বেরিয়ে এলাম। তখন রাত আটটা। একটা টুকটুক ডেকে বিচ রোডে একটা টার্কিস রেস্টুরেন্টে গেলাম। দুপুরে ভাত খাওয়া হয়নি, ভাত খেতে মন চায়। দুর্ভাগ্য টার্কিস রেস্টুরেন্টে টার্কিস স্টাইল ফ্রাইড রাইস তথা তুর্কি পোলাও থাকলেও ভাত দিতে পারবে না। তুর্কি পোলাও এর সাথে নানা পদের আঞ্জাম নিতে হলো। কিন্তু সবজি পেলাম না। তুর্কি পোলাও-এর সাথে তুর্কি কাবাব, মুরগির রীতির তুর্কি রোস্ট দিয়ে খেলাম। রেস্টুরেন্টের ম্যানেজার, শেফ তুর্কি নাগরিক। খাবারের রন্ধনপ্রণালি আসল তুর্কি রীতিতেই তা বিশ্বাস করা যেতে পারে।

তবে সত্যি বলতে কী খাবারগুলো সুস্বাদুই বটে। বেরুনোর সময় রেস্টুরেন্টের মুখে দুই মেয়ে শিশুকে দেখলাম কায়দা করে টাকা রোজগার করছে। দুজনই থাই ফর্সা। দুজনই জিনসের প্যান্ট ও ফ্রক পরেছে। একজনের বয়স বার-তের, অপরজনের বোধ হয় সাত-আট। দুজনই ভায়োলিন বাজাচ্ছে। অপূর্ব সুরের মূর্ছনা। ওদের পায়ের কাছে একটা গোলাকার হ্যাট- মেয়েশিশুরা যেগুলো পরে। সেখানে বেশ কিছু থাই বাথ জমা হয়েছে। বেশ কিছুক্ষণ মুগ্ধ হয়েই ভায়োলিনে তোলা সুরের মূর্ছনায় অভিভূত হয়ে পড়েছিলাম। সালাহউদ্দিনের ডাকে সম্বিত ফিরে পেলাম। ‘ভাই আপনার না শরীর খারাপ?’

‘হাঁ, চলেন যাই।’ পকেট হাতড়ে পাঁচ বাথ পেলাম। হ্যাটের মধ্যে দিয়ে হোটেল অভিমুখে রওনা দিলাম। আমার হৃদয়ে তখনও ভায়োলিনে তোলা সুরের মূর্ছনা।

ফিরতে ফিরতে আগামী দিনের পরিকল্পনা সেরে ফেললাম। ব্যাংকক এয়ারের ফ্লাইট রাত দশটায়। সুতরাং দুপুরের খাবার খেয়েই রওয়ানা দেব। দুটো সাইট নিয়ে আলোচনা হলো। পাতাইয়া ‘বোটানিক্যাল গার্ডেন’ ও ‘আন্ডার ওয়াটার ওয়ার্ল্ড’। পাতাইয়া বোটানিক্যাল গার্ডেন নাকি এশিয়ার অন্যতম সেরা উদ্যান। ২.৪ বর্গকিলোমিটার এলাকা নিয়ে গড়ে ওঠা এই উদ্যানে ৬৭০ প্রজাতির কয়েক হাজার বৃক্ষ রয়েছে। বৃক্ষ উদ্যান ছাড়াও রয়েছে পুষ্প উদ্যান, পাথর উদ্যান (রক গার্ডেন), কৃত্রিম হৃদ, ঝরনা ইত্যাদি। রয়েছে বাই-সাইকেল। ভাড়া নিয়ে ঘুরে ঘুরে দেখা যেতে পারে।

আর আন্ডার ওয়াটার ওয়ার্ল্ড মাটির নিচে মাছের অ্যাকুইরিয়াম। দুটোরই প্রবেশ মূল্য প্রায় সমান পাঁচ শ বাথ (তের শ ত্রিশ টাকা)। প্রবেশমূল্যের কথা চিন্তা করে পদযুগল ঠাণ্ডা হয়ে এল।

হোটেলে চলে এসেছি। অভ্যর্থনা ডেস্কে বসা তরুণীকে হ্যালো বলতেই হাসিমুখে কালকের পরিকল্পনা জানতে চাইলো। আমরা উভয়েই তখন বাকরুদ্ধ। কী বলব? অবশেষে বয়োজ্যেষ্ঠ হিসেবে আমিই মুখ খুললাম। আমাদের ইচ্ছে একইসাথে ম্যানিব্যাগের করুণ অবস্থা দুটোই বললাম। সাথে এও বললাম আমাদের দেশের মানুষের জন্য এটা বিলাসিতাই বটে। তরুণী বেশ সহৃদয়। আমাদের বসতে বলে দু’জায়গায় ফোন করল। থাই ভাষাতে বাতচিৎ করছে। বুঝলাম না।

 

সহৃদয় তরুণী জানাল একটা টুরিস্ট পার্টির সাথে আমরা আন্ডার ওয়াটার ওয়ার্ল্ড দেখতে যেতে পারি। ওদের বাস হোটেল থেকে আমাদের নিয়ে যাবে, দিয়েও যাবে। প্রবেশমূল্য দিতে হবে তিন শ বাথ (সাত শ নব্বই টাকা) সাথে সাথে রাজি হয়ে গেলাম, প্লেন যেহেতু রাতে, সুতরাং ট্যাক্সিতে করে ব্যাংকক না গিয়ে বাসে যাব। তাতে করে খরচের পাল্লা থেকে ছোটো একটি বাটখারা হলেও নেমে পড়বে।

ক্ষণকাল পরেই তরুণী গোল বাধাল।

‘তোমাদের তো আসতে আসতে একটা দুটো হয়ে যাবে। কিন্তু চেকআউট টাইম বারটা’।

বললাম, ‘আমাদের কক্ষটি কি ইতোমধ্যে বুকড?’

‘সেটা হতে কতক্ষণ? সকালে তোমরা যখন বাইরে থাকবে তখন যদি কেউ এসে পড়ে?’ মহা ঝামেলা!

‘আমাদের দুজনের দুটো মাত্র ব্যাগ। ব্যাগে মূল্যবান কিছু নেই। এখানে রেখে যাব, তাহলে কি চলবে?’

‘না, ব্যাগের দায়িত্ব আমরা নেব না।’

আমি প্রায় আর্তনাদই করে উঠলাম। বললাম, ‘দেখ নেপালে র‌্যাডিসনে আমরা অন্তত দশজন ব্যাগ রেখে ঘুরতে গিয়েছি। তারা তো এমন করেনি।’ চিড়ে বোধহয় ভিজল!

উনি সমাধান দিলেন; তা হচ্ছে, আমরা আমাদের ব্যাগ গুছিয়ে ব্যাগে তালা মেরে ঘরেই রেখে যাব। ঘরের দরজার চাবি অভ্যর্থনা ডেস্কে রেখে যাব। কেউ আসলে তাকে তুলে দেয়া হবে আর না আসলে তো ল্যাঠা মিটেই গেল।

বলাই বাহুল্য, সে রাতে ঘুম হয়েছিল প্রশান্তিময়। ক্লান্ত শরীরে বিছানায় গা এলিয়ে দিতেই দু’চোখ জুড়ে রাজ্যের ঘুম স্বপ্নের দেশে তুলে নেয়।

 

পরদিন সকাল সোয়া ন’টায় গাড়ি এল। নতুন জাপানি সিভিলিয়ান মিনিবাস। আমরা দুজন বাদে আর সকলেই শ্বেতাঙ্গ নারী-পুরুষ। শেষের যাত্রী হিসেবে পেছনের সারিতে জায়গা পেলাম। মিনিট বিশেকের ব্যবধানে পৌঁছে গেলাম সুকুমভিট সড়কে আন্ডার ওয়াটার ওয়ার্ল্ডে।

সিঁড়ি বেয়ে ভূগর্ভস্থ আন্ডার ওয়াটার ওয়ার্ল্ডের প্রবেশপথে পৌঁছলাম। হালকা তল্লাশি, খুব বড়ো কোনো ইস্যু নয়। সিঙ্গাপুর মালয়েশিয়াতে নাকি আন্ডার ওয়াটার ওয়ার্ল্ড অনেক বড়ো। এটি মাত্র একশ’ মিটার দীর্ঘ অর্ধচন্দ্রাকৃতির সুড়ঙ্গ। মাথার ওপরে দুপাশে মোটা হালকা নীল কাঁচের আবরণী। এখানে সাতশ’ পঞ্চাশ প্রজাতির মাছ রয়েছে। পানিতে শুধু মাছ নয় জলজ্যান্ত মানব পিঠে ও পায়ে অক্সিজেন সিলিন্ডার লাগিয়ে পানির ভেতরে সাঁতরে বেড়াচ্ছে। পৃথক মূল্য প্রদানসাপেক্ষে অ্যাডভেঞ্চারপ্রিয় মানুষকুল সাঁতরে বেড়াচ্ছেন। মুখ দিয়ে বুদবুদ ছাড়ছেন।

এ-মাথা থেকে ও-মাথা পর্যন্ত ধীরে ধীরে হাঁটলাম। মাছ যে কত বর্ণের ও কত আকৃতির হতে পারে তা এখানে না এলে জানা হতো না। আল্লাহর দেয়া নয়ন জুড়িয়ে গেল। ছোটো, মাঝারি, বড়ো কত আকৃতির মাছ! লাল-নীল-সবুজ-পীত-কমলা-হলদে কত বর্ণের মাছ! লম্বা গোলাকার ডিম্বাকৃতির কত ধরনের মাছ! শুঁড়ওয়ালা-করাতের ন্যায় দাঁতওয়ালা কত না বিচিত্র মাছ!

ঘণ্টাখানেক ঘুরে হৃদয়-মনে প্রশান্তি নেমে এল। প্রাণিজগতে আমি সবসময়ই আনন্দ অনুভব করি। চিড়িয়াখানায় সুযোগ পেলেই যাই। কেন যেন ভালো লাগে। কেন ভালো লাগে, জানি না। সুযোগ পেলে কোনো কোনো মনোবিজ্ঞানীকে জিগ্যেস করার পণ করলাম, কেন আমি প্রাণিজগতে আনন্দ অনুভব করি?

আমাদের সময়ের অভাব। অন্য পর্যটকরা যখন আন্ডার ওয়াটার ওয়ার্ল্ডে সময় কাটাচ্ছে, আমরা তখন বেরিয়ে এসে সামনেই ভারতীয় এক ফাস্টফুডের দোকানে ঢুকে উদরপূর্তিতে মেতে উঠলাম। দোসা, ইডলি, দই বড়া, সাথে পাঁপড় তো আছেই।

হোটেলে পৌঁছলাম দুপুর একটায়। না, আমাদের কক্ষে নতুন কোনো অতিথি আসেনি। আমাদের ব্যাগ অক্ষত রয়েছে। লাগেজ নিয়ে টুকটুকে করে বাসস্ট্যান্ড পানে ছুটলাম, যদিও হাতে ঢের সময়। পেছনে রইল পাতাইয়া নগরীতে দু’দিন ঘোরাঘুরির স্মৃতি। আর কোনো দিন আসার সুযোগ হবে কিনা, প্রয়োজন পড়বে কিনা জানি না। সুযোগ যদি আবার হয়-ই তাহলে ফুকেট বা চিয়াংমাইয়ে যাওয়ার চেষ্টা করব।

মতামত
লোডিং...