স্মৃতিবিলাস (সপ্তম পর্ব)

আমার সামাজিক সত্ত্বা বিকাশে মহামূল্যবান সেই বাহনগুলোর ভূমিকা সম্পর্কে একটু না বললে অনেক মূল্যবান স্মৃতিই জীবনপথের ভিড়ে হয়তো পথ হারাবে। আমাদের মূলত দুটি সত্ত্বা- একটি প্রাকৃতিক, অপরটি সামাজিক। প্রাকৃতিক উপায়ে মানুষের সৃষ্টি, আমরা তাই প্রথমত প্রকৃতির অংশ, এরপর সমাজের অংশ। শিক্ষার মাধ্যমে আমরা প্রয়োজনীয় প্রাকৃতিক ও সামাজিক প্রপঞ্চগুলো সম্পর্কে জ্ঞান, দক্ষতা ও দৃষ্টিভঙ্গি অর্জন করতে পারি। আমরা যেভাবে যতখানি সামাজিক হয়েছি, যেমন: খাবার খাওয়া, পোশাক পরা, গুছিয়ে কথা বলা ইত্যাদি যে কোন বিষয়ে সামাজিক হওয়ার পেছনে শিক্ষা প্রক্রিয়া কাজ করছে, যে কোন উপায়েই হোক না কেন আমরা সবকিছু এই প্রক্রিয়ায় শিখেছি। সামাজিকীকরণের পেছনে শিক্ষা প্রক্রিয়া গভীরভাবে কাজ করছে। এই শিক্ষার পেছনে প্রত্যেকের জীবনেই কতগুলো বাহন কাজ করে থাকে- পরিবার, বিদ্যালয়, সমবয়সী দল, গণমাধ্যম, ধর্ম, সামাজিক অনুষ্ঠান ইত্যাদি।

 

পরিবারের কথা বলতে গেলে প্রথমে বাবা-মায়ের কথাই চলে আসে আবার, নয় ভাই-বোনের বিশাল সংসারে বাবা আমাদের সময়োপযোগী আর্থিক সহায়তা দিতে না পারলেও মানসিকভাবে অনেক শক্ত করে মানুষ করেছেন। আট বছর বয়সে এতিম হয়ে যাওয়া একটা শিশু কিভাবে সেই ছোট্টবেলায় দুটো ছোট ভাই-বোনকে আগলে রেখেছে, বিধবা কিশোরী মাকে বেঁচে থাকার সাহস যুগিয়েছে, সমস্ত কিছু সামলে রেখে নিজেও শিক্ষা-দীক্ষায় স্বয়ংসম্পূর্ণ হয়েছিল, আব্বার জীবনের সেই সব বাস্তব গল্পগুলোই আমাদেরকে এক অদৃশ্য আলোর পথ দেখিয়েছে।

মায়ের প্রাতিষ্ঠানিক শিক্ষা খুব বেশি ছিল না, তবে অনেক ভালো কিছু গুণ ছিল। সবচেয়ে বড় দু’টো গুণ যা আমাদের পড়াশুনার ক্ষেত্রে অনেকখানি সহায়তা করেছিল বলে মনে হয় তা হলো- তিনি আমাদের লেখাপড়ার ব্যাপারে সবসময় গুরুত্ব দিতেন, আমাদের যে কোন পরীক্ষার সময় মা রোজা রাখতেন। আর আমাদের ভালো-মন্দ কোন বিষয়ই আব্বার কাছে লুকিয়ে রাখতেন না। পাশের দারোগা বাড়িতে মাঝেমাঝে সাদাকালো টেলিভিশনে নাটক-সিনেমা দেখতে যেতাম, সেটাও আব্বাকে বলে দিতেন, যার ফলে পড়া ফাঁকি দিয়ে কোনকিছু করার প্রশ্নই ছিল না আমাদের। নির্দিষ্ট নিয়মে সকাল-সন্ধ্যায় পড়ার টেবিলে বসতে হতো। তিন-চারজন ভাইবোন সবসময় একসাথে পড়াশোনা করেছি, যার কারণে শেয়ারিং বা কেয়ারিং এর মতো বিষয়গুলো ছোটবেলাতেই খুব ভালোভাবে শিখেছিলাম। এক টেবিলে একটা হ্যারিকেন জ্বালিয়ে তিন বোন পড়তাম। এমনকি পুরনো বইগুলো রেখে দেওয়া হতো, আমি সবসময় ইমিডিয়েট বড় দুইবোনের রেখে দেওয়া পুরনো বইগুলোই পড়েছি, নতুন বইয়ের একটা আফসোস ছিল মনের ভেতর, তবে সেটা বলে কাউকে কখনও কষ্ট দিয়েছি বলে মনে পড়ে না। বড়জোর আবদার করে বাজার থেকে প্যানোরোমা কিনে আনা হতো, সেটা দিয়ে মলাট করে নতুন একটা আবহ সৃষ্টি করতাম।

 

সকালবেলা পড়া শেষে মাকে কিছুটা সময় ঘরের কাজে সাহায্য করতে হতো। পরিবারের নিয়ম অনুযায়ী বড়রা ছোটদের কাজ করে দিত। সেই অনুযায়ী আমার কাজ ছিল ছোট ভাইটাকে নিয়ে খেলাধুলা করা, পড়াশোনা করানো ইত্যাদি। সে দায়িত্ব অবশ্য বড় হয়েও পালন করেছি। বিয়ের পরও প্রায় দশটি বছর ও আমার কাছে থেকে লেখাপড়া করেছে, একেবারে সংসার হবার পর আলাদা জীবনযাপন শুরু করেছে। মাঝেমাঝে উঠোন ঝাড়ু দেওয়া, হাঁস-মুরগী বা গরুর খাবারও তৈরী করে দিতে হতো। সন্ধ্যার নিয়মিত কাজ ছিল হাঁস-মুরগীগুলোকে তাদের ঘরে পৌঁছে দিয়ে ওজু করে নামাজ পড়া। পরিবারের লোকসংখ্যা বেশি থাকার কারণে যে কোন বিষয়ে নিয়ম শৃঙ্খলা মেনে চলার বিষয়টি মা খুব ভালোভাবে আয়ত্ব করতে শিখিয়েছিলেন। পরিবারে বাবার জায়গাটা যে অনেক সম্মানের সেটা মায়ের কাছেই শিখেছি, আব্বার গামছা বা স্যান্ডেলকেও আলাদা গুরুত্ব দেয়া হতো, কেউ সেগুলো ধরার সাহসও পেতাম না। খুব মনে পড়ে, বড় বড় কাঠের চুলায় আমাদের বাড়িতে রান্না হতো, জ্বালানী কাঠ শুকিয়ে রান্নাঘরের পাশে আর একটি ঘরে বোঝাই করে রাখা হতো। গোয়াল ঘরে বা টালি দিয়ে বানানো শোবার ঘরের চালে কাঠ শুকাতে দেয়া হতো, বর্ষাকালে যদি কখনও মাঝরাতেও বৃষ্টি হতো, মা কিভাবে যেন ঠিক টের পেয়ে যেতেন। অমনি আমাদের ডেকে বলতেন, ‘তাড়াতাড়ি উঠতে হবে, না হলে সব কাঠ ভিজে যাবে।’

ঘুমের ঘোরে কথা ঠিকমত না বুঝলেও ডাকার সাথেসাথে উঠে যেতাম, সবাই মিলে খুব দ্রুত সব কাঠ নামিয়ে ঘরে বা বারন্দায় এনে রাখা হতো, রোদ উঠলে আবার শুকাতে দেয়া হতো। এখন অনেক বড় বাচ্চাদেরকেও দেখেছি, ঘরের কাজের বিষয়ে খুব কম জ্ঞান থাকে, অথচ মা আমাদেরকে সব শিখিয়েছিলেন। মা নিজেও রাতদিন কোন না কোন কাজে ব্যস্ত থাকতেন। সকালে নাস্তার পরপরই গরুর দুধ দোয়াতেন নিজে হাতে, নিয়মিত রান্নাবান্নার পাশাপাশি পিঠা পায়েসও তৈরী করতেন প্রায়ই। আব্বা খেতে খুব পছন্দ করতেন, আমাদের বলতেন, ‘শোনো, খাবার কখনও বেছে খাবে না, শুধু একটা বিষয়ে খেয়াল রাখবে, খাবার হালাল কি না। ব্যস! আর কোনো সমস্যা নেই। আমরা নিজেরা যেহেতু একটা দানাও তৈরী করতে পারি না, সুতরাং খাবার নিয়ে এত পছন্দ-অপছন্দ আমাদের মানায় না।’

দীর্ঘদিনের চেনাজানা সেই পরিবার ছেড়ে এখন আমার নিজের একটা পরিবার হয়েছে। আমার হাজব্যান্ড উচ্চশিক্ষিত, বিনয়ী, নিরহংকারী, সাহায্যকারী একজন মানুষ। সে যখন জেনেছে যে, আমার পড়াশোনার খুব আগ্রহ, তখন এ ব্যাপারে আমাকে সবরকম সহায়তা করেছে। তার অতি উৎসাহে বি.এড করেছি, এম.এড করেছি। এরপরও এম.ফিল. পিএইচডি করার ব্যাপারেও উৎসাহ দিয়েছে। আমি তার কথায় কেবল হেসেছি। ও বলেছে, ‘হাসছ কেন? তোমাকে দিয়ে সবই সম্ভব, তুমি অবশ্যই পারবে।’

যদিও ক্যান্সার নামক মরণব্যাধিতে আক্রান্ত হবার পর পড়াশুনার সেই স্বপ্নটুকু আর পূরণ করা সম্ভব হয়নি, তবুও ‘তুমি পারবে’- এই একটি কথা একজন মানুষের মধ্যে কত বড় অনুপ্রেরণা সৃষ্টি করতে পারে, আমি তার বাস্তব উদাহরণ। আমার বয়স বা পেশার সাথে এখন হয়ত অনেক ক্ষেত্রে প্রতিযোগিতার বিষয়ে নজর দেয়া ঠিক নয়, তবুও আমি বিভিন্ন ক্ষেত্রে অংশগ্রহণ করি এখনও, নির্বাচিত হতে ভালো লাগে। নিজেকে যাচাই করি, প্রকৃত প্রতিযোগিতা তো আসলে নিজের সাথেই। নিজের সেরাটা দেখতে ইচ্ছে করে, আর এই ইচ্ছে থাকলেই বোধহয় মানুষ অদম্য সাহস নিয়ে এগিয়ে যেতে পারে।

মাস্টার্স শেষ করার দীর্ঘদিন পর ঢাকায় আসি। নতুন শহরে সংসার শুরু হয়। ততদিনে বিদ্যেবুদ্ধি যা ছিল মাথায়, সবই ভোলার পথে। আমার হাজব্যান্ড এর অকৃত্রিম, নিঃশর্ত উৎসাহ উদ্দীপনার কারণে আবার পড়াশুনার মাঝে ফিরে আসি, চাকরি পাই ভিকারুননিসা নূন স্কুল এন্ড কলেজের মতো একটা ঐতিহ্যবাহী প্রতিষ্ঠানে।

একটা শিশুর সমাজে বেড়ে ওঠা, শিক্ষ-দীক্ষা, চাকরি, সামাজিকীকরণ সবকিছুর পেছনে পরিবারের প্রতিটি সদস্যের ভূমিকাই মুখ্য। সকলের সহযোগিতা, সহমর্মিতা, পরিবারের শৃঙ্খলাবোধ সবকিছুই অপরিহার্য। পাশাপাশি আর্থিক ব্যাবস্থাপনার ব্যাপারটিকে অস্বীকার করার উপায় নেই। এই অভিজ্ঞতা আমার নিজের জীবন থেকেই সঞ্চয় করেছি।

সামাজিক সত্ত্বা বিকাশে পরিবারের পাশাপাশি বিদ্যালয়ের ভূমিকাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিশুরা প্রথম যখন বিদ্যালয়ে যায়, তখন তাদের কাছে সেটা খুব মজার জায়গা। ধীরেধীরে সবার সাথে মিলেমিশে চলা, খেলাধুলা করা, এমন অনেক বৈশিষ্ট্য আয়ত্বে আসে। বিদ্যালয়ে শিশুরা নৈতিক শিক্ষা লাভ করে, শিক্ষক তাদের কাছে আদর্শ। মা-বাবার কথা অনেক সময় বাচ্চারা শুনতে চায় না, কিন্তু শিক্ষকদের সব কথা শোনে, বোঝার চেষ্টা করে, বিশ্বাস করে।

 

বাগেরহাট হাই স্কুলে (বর্তমান নাম- বাগেরহাট কলেজিয়েট স্কুল) দশ বছরের শিক্ষাজীবন শেষ করি। স্যার আপারা বেশ ভালো জানতেন। পড়াশুনায়ও প্রথম সারিতে ছিলাম, তাছাড়া আব্বা ছিলেন ঐ স্কুলের প্রধান শিক্ষক। অনেক স্যার আমাকে ছোটমা বলে ডাকতেন। ১৯৯০ সালে এস.এস.সি পরীক্ষার ফল বিপর্যয় হয়েছিল, ঐ বছর আমার স্কুল থেকে সম্ভবত চারজন প্রথম বিভাগে উত্তীর্ণ হয়েছিল, আমি তাদের মধ্যে ছিলাম।

বাগেরহাট সরকারী পি.সি. কলেজ থেকে এইচএসসি পাশ করি। অনেক শিক্ষকের পড়ানো এখনও চোখে লেগে আছে। মোজাফফর স্যার রসায়ন পড়াতেন, বিজ্ঞানীদেরকে উনি সাহেব বলে সম্মোধন করতেন; যেমন- ডালটন সাহেব এটা আবিষ্কার করেছেন, নিউটন সাহেব ওটা তৈরী করেছেন, এভাবে বলতেন। আমরা খুব মজা পেতাম। মনে হতো স্যার নিজেও বোধহয় ঐ সব বিজ্ঞানীদের বন্ধু মানুষ। আমি নিজে ক্লাসে এভাবে বলে দেখেছি, আমার শিক্ষার্থীরাও বেশ মজা পায়। জলি স্যার জীববিজ্ঞান পড়াতেন, ২৮ বছর আগের কথা, তখনই দেখতাম স্যার রঙিন চক ব্যাবহার করে কোষ বিভাজন পড়াতেন। স্টিলের একটি পয়েন্টার থাকতো স্যারের পকেটে, যেটাকে ছোটবড় করে প্রয়োজন অনুযায়ী ব্যবহার করতেন। তের বছর পরে আমি শিক্ষক হিসেবে চাকরিতে যোগ দেবার পর অমন একটি পয়েন্টার অনেক খুঁজেছি, অবশেষে মিলেও ছিল, পুরনো টেলিভিশনের গায়ে ব্যবহৃত অ্যান্টেনা ভেঙে পয়েন্টার তৈরী করেছিলাম।

অনার্স-মাস্টার্স এর দীর্ঘ প্রায় আটটি বছর পার করেছি সরকারী বি.এল. বিশ্ববিদ্যালয় কলেজে। ওখানকার অনেক শিক্ষকদের পড়ানোর কথা মনে থাকবে চিরকাল। ড. মুত্তালিব স্যার জীববিজ্ঞান পড়াতেন, অসম্ভব সুন্দর করে কথা বলতেন তিনি। প্রথমবর্ষের শেষদিকে উনি মারা গেলেন, মনে হতো আর বোধহয় পড়াশোনাটা শেষ করা হলো না, খুব বেশি ভেঙ্গে পড়েছিলাম।

কুমিল্লা সরকারী টিচার্স ট্রেনিং কলেজ থেকে বি.এড. করি। সদ্য শুরু হওয়া সংসারের ঝামেলা সামলে পড়াশুনা করা একটু চাপ-ই ছিল, সকাল দশটা থেকে বিকাল পাঁচটা পর্যন্ত কলেজে থাকতে হতো। মনে হতো, যেন নতুন করে স্কুলে ভর্তি হয়েছি। কিন্তু ওখানকার নিয়ম-শৃঙ্খলা, শিক্ষকদের আন্তরিকতা যে কোন শিক্ষার্থীর জীবনের চলার পথের পাথেয়। মৃণাল স্যার, তারেক স্যার, সওগাত স্যার, ফাহমিদা ম্যাম, মাহফুজা ম্যামসহ অনেককেই বেশ কাছের মানুষ মনে হয়েছিল ঐ সংক্ষিপ্ত সময়েও। যেমন ভালো পড়াতেন, তেমনি অমায়িক ব্যবহার। পড়াশোনার পাশাপাশি ভবিষ্যত কর্মজীবনের জন্য পরামর্শ বা দিকনির্দেশনা মূলত ওখান থেকেই পেয়েছি।

ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের আইইআর ডিপার্টমেন্ট থেকে এম.এড সম্পন্ন করেছি। দুই বছরে দশটি কোর্সে যে দশজন শিক্ষকের সাহচর্যে এসেছিলাম, তাদের প্রত্যেকেই অনেক জ্ঞানী, পণ্ডিত, ভালো মনের মানুষ ছিলেন, সেকথা বলার কোন অবকাশ নেই, তাঁদের ভালো গুণগুলোকে আয়ত্ব করার চেষ্টা করেছি, সেগুলো আবার নিজের শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের মধ্যে সঞ্চারিত করার ইচ্ছে পোষণ করেছি সবসময়।

শিশুর সামাজিক সত্ত্বা বিকাশে বিদ্যালয়ের ভূমিকা অনস্বীকার্য। নিয়ম-নীতি, শৃঙ্খলা, ধর্মীয় শিক্ষা, নৈতিক ও মানবিক শিক্ষা… প্রতিটি বিষয়ের জন্য বিদ্যালয়ের কাছে আমরা ঋণী। মায়ের কথাও অনেক সময় শিশু অবিশ্বাস করে, কিন্তু শিক্ষককে কখনও নয়। কিছুদিন আগে অভিভাবক সমাবেশ শেষে একজন মা কাছে এসে বলেছিলেন, ‘আমার মেয়ে কোন সবজি খেতে চায় না। আপনাকে সে খুব পছন্দ করে, আপনি বলে দিলে সে একটু হলেও খেতে পারে।’ বিশ্বাস্য হলেও জেনে আনন্দিত হয়েছিলাম, আমি বুঝিয়ে বলার পর থেকে সেই মেয়েটি সবজি খেতে শুরু করেছে। পরিবার শিশুকে যা না দিতে পারে, বিদ্যালয় থেকে তার চেয়েও অনেক বেশি লাভ করার সুযোগ থাকে।

 

সামাজিক সত্ত্বা বিকাশে সমবয়সী দলের ভূমিকাও অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। শিশু যাদের সাথে মেলামেশা করে তারা যদি ভালো মন-মানসিকতার হয়, তাহলে সে অনেক কিছু শিখতে পারে। আর যদি খারাপ হয় তাহলে বিভিন্নভাবে ক্ষতির সম্মুখীন হতে পারে। স্কুল পর্যায় থেকে এখন পর্যন্ত আমার সার্কেলটা বরাবরই ভালো ছিল…।

 

১৫/০২/২০২১

(চলবে)

 

মতামত
লোডিং...